লাভ না থাকার কারণে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছে না আগামী প্রজন্মও। এর ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। মোয়া ব্যবসায়ীরা পাচ্ছেন না উত্কৃষ্ট মানের নলেন গুড়। আবহাওয়ার খামখেলালিপনার জন্য খেজুর গাছ থেকেও খুব একটা বেশি রস পাওয়া যাচ্ছে না। সারাদিনের হাড় ভাঙা পরিশ্রম যেন বৃথা হয়ে যাচ্ছে তাদের। খেজুর রস সংগ্রহকারী শিউলি জানান, খেজুর রস সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে আগামী প্রজন্ম এগিয়ে আসছে না। তার কারণ এই ব্যবসায় আগের মত লাভ হচ্ছে না। আবারব বিরূপ আবহাওয়ার জন্য খেজুর গাছে খুব একটা বেশি রসের দেখা মিলছে না। এর কারণে সারাদিনের হাড় ভাঙা পরিশ্রম বৃথা।
খেজুর গাছে রস সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। না হলে বড়সড় বিপদ হতে পারে। খেজুর গাছের যে কাটা রয়েছে সেই কাঁটা হাতে ও পায়ে ঢুকে গিয়ে জখম হতে পারে। তিন মাসের এই ব্যবসায় বিপদ অনেক রয়েছে কিন্তু সেই অর্থে লাভ নেই। সেই কারণে এই খেজুর গাছের সঙ্গে কাজ থেকে বিরত থাকছে আগামী প্রজন্ম। তিন মাসের জন্য তারা অন্য কোন ব্যবসার দিকে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছে না কেউই। ফলে মুখ থুবড়ে পড়ছে মোয়ার ভবিষ্যত। আশঙ্কা আগামীতে বন্ধও হয়ে যেতে পারে এই ব্যবসা।
0 Comments